Kobita...

তুমি কি জান
নিঝুম রাতের আবছা অন্ধকারে
এই শহরতলী তে কী হয়?
এমন কিছু হয় যা
কল্পনার নয়।

তোমায় আমি বলব সেই কথা,
শুনে তোমার খারাপ হয়ে যাবে মাথা।

আমি নিশীথ গলিতে হাঁটি
ক্লান্ত পায়ে
এমন গলি যা কেউ কোনোদিন
দেখেনা তাকায়ে।

আমি একা একা চলি
চলতে চলতে নিজের সাথে
কিছু কথা বলি।

আকাশ ভরা নিশীথ রাতের তারা
কিরণ দিচ্ছে শহরতলী জুড়ে,
তাকিয়ে থাকি আমি-
অবাক বিস্ময়ে

কেন এমন করি
জানিনা ঠিক কারনটা।
তবে কেউ দেখলে
সন্দেহ করবে হাঁটার ধরনটা।

গলির পাশে যে ঝাপড়া
বাড়িগুলো আছে
কেউ ঘেষেনা যাদের
ধারে কাছ।

যেতে যেতে আমি শুনি
মানুষের চিৎকার
কেউ কাঁদছে, কেউ হাসছে
কেউ রাগে দেখছে অন্ধকার।

মানুষগুলো বেশি ধনী নয়,
জীবনটা তাদের মৃণ্ময়।

কিন্তু আাশা করতে দোষ নাই,
আশায় বুক বেঁধেছি তাই,
এটি একটি উদাহরন হবে একতার সবাই দেখবে শহরতলীটি আসলে কী ভীষন
চমৎকার।

তুমিকি জানতে চাও
শহরতলীটির নাম কী?
এর নাম মনুষ্যত্বে হারিয়ে যাওয়া ছোট্ট একটুখানি।

মা

দশ মাস দশ দিন
ছিলে যার গর্ভে
তাকেই তুমি বাসায় রেখো
কাজের বুয়ার শর্তে ।
ছোট্ট বেলায় যাকে ছাড়া
কাটতো না এক মুহূর্ত
তাকেই তুমি দেখতে যাও না
হয়ে গেল মুমূর্ষু ।
কৈশোরে যে ছিল তোমার
সবচেয়ে ভালো বন্ধু
একটা সময় সে হল তোমার
সবচেয়ে বড় শত্রু ।
বউয়ের কথায় যারে তুমি
ফেলে এলে বৃদ্ধাশ্রম
প্রতিষ্ঠিত আজ হয়েছ তুমি
তারই কঠোর পরিশ্রমে।
মা ছাড়া দুনিয়াতে
আপন কেহ নাই
তাঁর এক ফোঁটা চোখের জলে
আল্লাহর আরস কেঁপে যায়।
মাকে তুমি কষ্ট দিলে
সুখ পাবে না পরকালে
মার প্রতি সদয় হলে
জান্নাত পাবে বিনা হিসাবে।
তাই মাকে সবাই ভালোবাসো
মাকে মণির-কোঠায় রাখো।

খোকা

চুপি চুপি খোকা পড়ে নেই কোন শব্দ ,
খোকা ভাবে মামা হোল বেশ জব্দ।
ঢাকা
ঢাকা গিয়ে দিশে হারা
চাচা আর ভাস্তে,
অস্থির গাড়ি গুলো, চলেনাতো আস্তে।
পূর্বাকাশ
এই ধরনির কোলেয়ে নিচ্ছি আমি শ্বাস,
ফেলে যাচ্ছি পায়ের নিয়ে রেখে দুর্রাঘাস।
সাত সকালে শুনছি যে ডাকছে পুর্বাকাশ।
এই সময় দেখি আমি,
কে দেয় মোরে আশ্বাস।
ভয়- জয়
নাহি ভয়, নাই ভয়।
জয় হবে, হবে জয়।
ভাঙবে সুনিশ্চয়।
- জুবাইদা তাসকিন হুমা

সত্যবাদীতা (ছড়া)

সত্য কথা বলতে হয়,
মিথ্যা বলতে নেই।
সত্যে আছে মহৎ গুণ
মিথ্যা কথায় নেই।
সত্যবাদীকে সবাই ভালোবাসে
মিথ্যাবাদীকে নয়
সত্যবাদীকে সম্মান করে
মিথ্যাবাদীকে নয়,
তাই সত্য কথা বলতে-
আমাদের অভ্যাস করতে হয়।
- রিহাম হোসেন

মনের প্রকৃতি

আমার মনে এক প্রকৃতি আছে,
সে প্রকৃতি অনেক সুন্দর।
যেখানে, পাখিরা গান গাই,.
গাছে গাছে ফুল ফোটে
আর চারদিক রঙিন হয়ে ওঠে।
চাঁদের হাসিতে চারদিকের মানুষের মন
সুখী হয়ে ওঠে।
তাদের সুখ দেখে প্রকৃতির মনও সুখী হয়ে ওঠে।
যখনই এখান থেকে চলে যাই
তখনই গাছ যেন আমাকে ডাকে
প্রকৃতিকে ভালোবেসে আমি যেন এক হয়ে আছি
প্রকৃতিও যেন ভালোবেসে আমার সাথে এক হয়ে আছে।
তাই আজ যেন আমার সবকিছুর ঊর্ধ্বে থাকবে
আমার মনের প্রকৃতি
মনের প্রকৃতি
- রোয়াইদা হোসেন

করব যুদ্ধ জিতব দেশ

যে দেশমাতার স্নেহের আশ্রয়ে আজ বেঁচে থাকা
তাকে শত্রুমুক্ত করতে,জীবন বাজি রাখতে,
কিসের এতো বাধা?
আজ না হয় একাই যা দেশের জন্য লরতে,
কাল হয়ত আরও দেশপ্রেমী থাকবে তোর পাশে।
ভুলে যাসনা মায়ের চোখের জল,
ভুলে যাসনা বোনের গায়ের আগুন,
ভুলে যাসনা ওই পাকিস্তানিরাই করেছে বাবকে খুন।
লড়াই করে ,জীবন দিয়ে জিতে নিবি দেশ,
পৃথিবীর মানচিত্রে গড়ে উঠবে সোনার বাংলাদেশ।

সাইয়ারা তুস সুবাহ অর্জয়িতা
১০ম (ক)
প্রভাতি শাখা

আমার বাংলাদেশ

আমার বাংলাদেশ সোনায় মোরা,
আমার বাংলাদেশ সবুজে ঘেরা ।
আমার বাংলাদেশ বাংলা মায়ের ভাষায় যেন পূর্ণ,
আমার বাংলাদেশ গর্বে ভরা যা হয়না কখন চূর্ণ।
আমার বাংলাদেশ শেখ মুজিবের স্বাধীনতা সংগ্রাম,
আমার বাংলাদেশ আনন্দ আর প্রফুল্ল ভরা প্রাণ ।
আমার বাংলাদেশ ষোল কোটি মানুষের এক বাসস্থান,
আমার বাংলাদেশ সবুজে ঘেরা আম পল্লবের ঘ্রাণ ।
আমার বাংলাদেশ আমন,আউশ কত প্রকারের ধান,
আমার বাংলাদেশ বাউল,ভাটিয়াল কত প্রকারের গান।
আমার বাংলাদেশ শহিদের রক্তে রাঙানো বাংলা ভাষা,
আমার বাংলাদেশ কামার,কুমোর ছোট নয় কোন পেশা।
আমার বাংলাদেশ শহিদ ছেলের জন্য মায়ের কান্না,
আমার বাংলাদেশ গর্বে বলে আমার সন্তান হীরা,পান্না।
আমি কোন কবি নই,আমি প্রধান শিক্ষিকা নাছিমা আক্তার ,
আমার স্কুলের শিক্ষার্থীরা সব সফল ইঞ্জিনিয়ার ,ডাক্তার।
তাই এসো সবাই মিলে গড়ে তুলি ডিজিটাল বাংলাদেশ
তবেই মোদের গর্ব হবে,আনন্দ হবে বেশ।

রুপকথা সরকার
৭ম (ক)
প্রভাতি শাখা
রল-৩২

মা’র কথাটি

মা’র কথাটি মধুর মতন,
আমার মা যেমন।
সকল সন্তানকে তিনি আদর করেন,
আদর্শ মায়ের মতন
সকলের কাছে তিনি পান সম্মান,
আদর্শ মা হওয়ায় কারণে
সকলের কাছে তিনি পান সম্মান,
আদর্শ মা হওয়ায় কারণে
সকলের কাছে তিনি পান ভালোবাস
সচ্চরিত্রের কারণে,
সকল মাই তো তাঁর সন্তানকে আদবর করেন।
আমার মায়ের মতন।

-রোয়াইদা হোসেন
শ্রেণি- ৭ম (খ), প্রভাতি শাখা রোলঃ ৫৩

‘বর্ষার বৃষ্টি’

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
দেখো-দেখো তৈরী হলো একটি পুকুর
পুকুরটিতে আছে মাছ
বর্ষায় প্রকৃতির কি অপূর্ব সাজ!

বর্ষায় আকাশ থাকে মেঘাচ্ছন্ন
কালো মেঘেরা হয় বিচ্ছিন্ন
আম যাব খেতে নেমন্তন্ন
গিয়ে খেতে পাই শুধুই অন্ন!
ওগো, কেউ কি জানেন?
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
আমি যেতে চাই বিক্রমপুর!
- সাদিয়া তুত তায়্যিবা
(শ্রেণিঃ ৬ষ্ঠ-খ, শাখা ঃ প্রভীতী, রোল-১৩),

বৃষ্টি

টুপ টাপ বৃষ্টি পড়ে
ফল পড়ে সাথে,
আম পড়ে জাম পড়ে
পুকুরের ধারে।
টুপটাপ বৃষ্টি পড়ে রে।

নানা
নানা আসবে বাড়িতে
আসবে দেশে কাল,
নানা শুধু পেচাঁল পাড়ে
দেখলে মনে হয় পালাই।
- নৈপুন্য শবনম (শাখা- প্রভাতী, রোল- ৭০ শ্রেণি- ৪র্থ )

বিদ্যাময়ী ভর্তি

হায়রে! ভর্তি পরীক্ষা
স্বপ্ন ছিল ভর্তি হবো বিদ্যাময়ী স্কুলে
অবশেষে স্বপ্ন হলো বাস্তব।
রাত-দিন কতই না যুদ্ধ করেছি
এই ভর্তি পরীক্ষার জন্য।
বাবা-মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রম
নানুমনির অফুরন্ত সেবা,
ছোট ভাইয়ের অধীর আগ্রহে বসে থাকা,
স্যারেদের সঠিক দিক নির্দেশনা,
সকলের দোওয়া,
আমার সর্বত্তক চেষ্টা এবং অনুশীলন সর্বোপরি
আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে আজা আমার এই
বিদ্যাময়ীতে ভর্তি।
-রাফিয়া তাসনীম মৌন (শাখা- খ, রোল-৬১)

A Glimpse of Govt. Vidyamayee Girls’ High School

Vidyamayee Government Girls’ High School was established in 1873 with a view to spreading education for the Girls. It was a ambitious and far sighting view. It has a glory of the past and present. And it will continue for the time to come. We want to mention some achievements of it in brief. First of all the Headmistress of the school Nasima Akter was awarded with the title “Best Headmistress” or “Best Head of the institute” in the year 2017 and 2018 in “National Education week” bearing the teacher ID 2016200231 with NID- 19703923606142666. Students of the institution brought honour and glory winning many events gradually. In “National Education week-2017” Joyita Banik, a student of class - seven (Morning- A) Stood first both in Patriotic song and Tagore’s song. It is a unique achievement. In the meanwhile Nahrin Ahmed a students of class-10 (Day-B) became the best girl Guide. In the year of 2018 in “National Education Week” Joyita Banik, Student of class-8 (Morning-A) Won first Prize in Tagore’s song and song of Nazrul with extraordinary genius. Moreover, Protha Sarkar a student of class - 8 (Morning - A) stood first in classical dance and became second in Nazrul’s song. The most glorious moment comes in 2018 at “Competition of National Anthem in Correct Tune” Standing first. The Participants were respectively. Jannatun Nur Angkon, Class-5 (Day-A), Rodosy Paul Class -4 (Day-A) and Labanno Roy, Class – 4 (Day -A). This achievement is very unique indeed. This mentioned group belongs to Primary group. There had been a secondary group too who stood first in the same. They are accordingly. Sithy Sarkar, Class-7. (Day - B), Atai Atondrila Sarkar Class-8 (Morning), Gitangoli Gosh Sneha of the same Class and shift. And Anupama Sharmin Anonna of class six (Morning) belongs to the group too. The institution earned name and fame in National Science Prize Quize competition in 2018. The following students became Champion nationally and stood first accordingly. Maysha Rahaman class -10. (b), Shreya chakraborty Class-10 (b), All of the belong to morning shift. The school earned Prize in Banga Bandhu Shishu-Kishore Mela - 2018. Nustrat Jahan Oishe Moni a student of Class- 7 (Day A) became first in reciting poem nationally. In the year 2017 Our student took part in “Karate Gold medal Kick Boxing competition”. Bandhi Shikha Thakur a student of class-10 of day shift Stood first (Gold medal) in Kick boxing. Actually the students are achieving victory in various fields using their merit, energy and synergy to add beauty of the institution and keep the glory immortal.

May Allah help us.

Edited by: Md. Taizul Islam
Asst. Teacher in English
Vidyamayee Govt. Girls’ High School
Mymensingh. Directed By: Nasima Akter
Headmistress
Vidyamayee Govt. Girls’ High School
Mymensingh